Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2018

ভাগ্যের সংজ্ঞা এ,জি হাওলাদার

ভাগ্যের সংজ্ঞা আমার ধারনায় ভাগ্যের সংজ্ঞা । এ,জি হাওলাদার । প্রিয় বন্ধুগন আমি মানি আপনারা সবাই শুভাকাঙ্খি, হয় আমার না হয় অন্যের তবে আর কারোর না হইলেও নিজেরতো বটেই । কিন্তু আমরা জানিনা যে আমাদের জীবন চলার পাথেয় হিসাবে কোথায় কেমনে কি কোনটা কোথা থেকে কিভাবে কি করছে । তবুও কোন কিছুতে চাহিদার মতে পাইলে বা না পাইলেও ভাগ্যের দোহাই দিয়ে হয় শান্ত থাকি, না হয় নিয়তীর দোষ দিয়ে তৃপ্তি পাইতে চাই । আসলে কি সেইটা ঠিক, নাকি নিজেকেই দিতে হবে নিজের পরিনামের ধীক । কেননা পাওয়া এবং না পাওয়ার জন্য যদি আমরা ভাগ্যের উপরেই নির্ভর করে থাকি তবে সেখানে জানতে হবে ভাগ্যের কাজটা কি এবং কতখানি । যেহেতু ভাগ্যটা স্বভাবতই অদৃশ্য তাই তার করণীয় কি সেইটা আমরা কেহই জানিনা । আমরা জানি প্রভাদে আছে তবে সেইটা মানি আর না-ই মানি সেইটাই সত্যি যে, যাকে না দেখেছি সে খুবই সুন্দরী হইতে পারে কুশ্রী । যার হাতের রান্না না খেয়েছি সে খুবই ভালো বা খুবই বাজে রাধুনী । আবার এইটাও জানি যে, যাকে না দেখেছি নিজ নয়নে তাকে বিশ্বাষ করিনা গুরুর বচনে । এমন সব আরো কত শত নানান কথা । তাই যাকে আমরা বাস্তবে দেখিনি শু...

চেতনার জাগরণ । এ,জি হাওলাদার,

এইটা ঠিক যে এমন বিকিরণময় দ্বীপ্ত সময়ের উদ্ধিপনায় বাস্তবিক ভাবে বিকশিত না হয়ে পক্ষ চক্রে আক্রান্ত । এইটাও ঠিক যে এমন প্রতিকুল অবস্থা বেশী দিন চলনা চলতেও পারে না । কারণ নিজের দুর্বলতার লজ্জাকর ব্যপারটাও সর্ব নজরায়নে প্রষ্ফুটিত হয়ে যায় । সেই গ্লানীর অবসান নিজের থেকেই নিজের অন্তরে দাগা দেয় । যে কারণে তার জের কি হবে সহসাই বুঝতে বাকী থাকার কথা নয় । কেননা মানুষ সর্বদাই প্রতিযোগীতাময়ী জয়ের জন্য অনেক পরিবর্তনই ঘটাইতে পারে । সেইটাই নিজের থেকে আরেকে এমনই একের থেকে অন্যকে ছড়িয়ে পরিবেই পরিবে আর তাতেই হয় সত্যেভরে আপনার জয় ।

ঘৃণ্য দুরাচার । এ,জি হাওলাদার,

একটা দুরাচারী নিজ ক্ষমতায়নের জন্য অনেক জনাকেই তার দলে সামিল করিয়া আপন অনুসারী বানাইতে পারে করেও বটে । কিন্তু তার ক্ষমতার দম্ভে সৃষ্ট অনাচার অত্যাচারে বহুজনাকেই আবার ক্রোধান্নীতও করেতোলে । যার প্রতিদানে জুলুমকারীর ভয়ানক পরিনতীও ঘটে । সেই পরিনতী থেকে আজতক কোন অপরাধীই নিস্তার পায়নি ।জুলুমকারী তাৎক্ষনিকভাবে রক্ষা পাইলেও যত দিন পর্যন্ত সঠিক প্রতিদান না পাইবে ততদিন, এমনকি জন্ম জন্মান্তর, গুণে গুনে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মতক সেই হিসাবের সমযোতা করিতেই হবে । তথ্য সত্য ধর্মই মিত্র, অপরাধীর ক্ষমা নাই, করিবেওনা আল্লায়, যদি তায় তেড়িয়া ধায় ধরিত্রীতে সাজানো ঘৃণ্য চরিত্র, যাহাতে ওয়াদা করিয়াছে বিধাতায় ।  তবে কেন কোন অহমিকায় কার জন্য হীন কর্মের হেন ঘৃণ্য দম্ভ ?

রত্ন গর্ভা জননী । এ,জি হাওলাদার,

যার যতনে সমাজ পরিবেশ, দেশ, জাতী, ধরিত্রী পায় মহিমা,  পরশে যার অসাড় প্রকৃতির বুকে প্রসফুটিত হয় প্রানের উচ্ছলতা ।  আপন ভাবনায় যে, নিজেকে নয় ধরাকে বানাইতে চায় সেরা,  গর্বে যার সমাজ উর্বর ত্যাজিয়া তাপ অস্থির মনোভাব         আচরণ  বিচরণ হয় অনুকরণীয়, কর্ম তার কলাকৌশল সমাজ অভয়ারণ্যে  অনুসরণীয়, সর্বময় হয় বরণীয় ।  এমন আরো কত গুন কত জনার মোহতায় অচিন অর্বাচিন হয় মোহমীয়,  চেতনায় যার রহে সদা ধরণীর সবটা হয়, রয় ভাবের উর্দ্ধে প্রকৃতির তরে, আপনাকে কভু কখনও ভাবেনা সর্বেসর্বা ।  জানিবে, তেমন সন্তানের জননী-ই হয়ে থাকে রত্ন গর্ভা ।

ভাবের জাগরণ এ,জি হাওলাদার

বসন্তের দোলায় বন্ধিত কেশ মেতেছে পুষ্প মেলায়, প্রীত মনে জাগরণ তুলে নব আমেজে দক্ষিনা হাওয়ায়, অলসীত কদম উদ্ধত, নবীন রূপে মাতিছে উন্মত্ত খেলায়, ফাগুনের আমেজ বাহুবাণ ভেদিয়া বাতায়ন মাতায়, বসন্ত এসেছে, এসেছে আজি আমারও আঙ্গিনায় । প্রকৃতি যাই বলুক, হয় বা রয়ও যদি তিক্ত, প্রফুল্য মনের প্রষ্ফুটিত আমেজে আজি, হবো হবোই যে সিক্ত । যেই বিদ্যা শিখ তুমি আপনার তরে, কালাকার হয়ে তাতে দুনিয়ার পরে । লাভ যদি শাপ নেও ক্ষমতার জোরে, নিজ না হইলেও যাবে তা প্রজন্মের ঘারে । দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আমার, বাজিতেছে মানবতার ঢাক, সত্যের পথে সোচ্চার রোধীতে পারিবেনা কেহ জনতার হাক । দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোল, সরকার দিয়েছে যুদ্ধের ডাক, দুর্নীতির লালন প্রীতি আতুর ঘরেই নিপাত যাক । অন্যায়ের প্রতিবাদ করিলে বাঁচিতে পারিবেনা, তাই বলে সহিবে অন্যায় প্রতিরোধ করিবেনা ? মৃত্যু-টায়, যখনই ধরিবে ছাড়িবেনা তোমায়, ভাবিয়াছনি হইবটা কি তখন যাইবে কোথায় । আর একটু ভাবুন একটু চেষ্টা করিয়া দেখুন,  আপনিও কিন্তু আপনার মায়েরে রত্ন ।  হতে পারে আপনার আঁলোতে আঁলোকিত,  রচন...

সত্যের অহঙ্কার এ,জি হাওলাদার

সত্যের অহঙ্কার লালন করে যে জনা আপনার অন্তরে,    উদ্দীপ্ত রহিয়া তা বহিতে থাকে অনন্ত কাল ধরে ।  উক্তিতে ভক্তি মিলে কর্মে মিলে ফল,  দম্ভে দক্ষতা বাড়ে অলসতায় রসাতল ।  মানব কুলে জন্মীয়াছ বলে ভাবের তাপে দেখাও যদি উন্মত্ত খেলা, মানিও আবর্তন বিবর্তন থাকিলেও বিন্যাসীত নয় শ্রোষ্টার লিলা ।  ভুল রচনার ইতিহাস, সমাজকে করে বিনাশ । মরিয়াদার ধ্বনী কারোতরে যদি বহাইতে চাহ খামাকা, সহিতে নারিবে আসিবে যবে নিজ তরে সেই ধামাকা । নিজ রক্তের ক্ষিপ্ততায় অন্যের তরে সাজাও যদি রক্তের লহর, জানিও তার তিক্ততার বিন্দু কণায়  হইবে তোমারই যাতনার জহর । প্রতিরোধের ভাষা ক্ষিপ্ততার মিশ্রনে অতৃপ্ত হইলেও, আসলে তা একান্তই প্রতিঘাত থেকে বেচে থাকার সতর্কী করন পূর্বাভাস ।  পরশে তোমার জাগায় চেতনা,  স্থীর ভাবনায় তাড়ায় যাতনা । পৃথিবীতে এমন কোন খাদ্য, বাসস্থান, ব্যবহার্য্য বস্তু, পদার্থ, ব্যক্তি, রং বা কোন কর্ম নাই যা সবার জন্যই একই রকমভাবে গ্রহনযোগ্য হবে । তবুও সবটাই কারোরনা কারোর জন্য সমিচিন এমনকি উত্তম আশির্বাদও বটে । তাই বুঝে, শুনে, ভেবে ব্যাবহার করাটাই শ্রেয় । তা...

নিঠুর অবনি এ,জি হাওলাদার

হে খোদা দয়াময় রহমানুর রাহিম, সৃষ্টিতে রহিয়াছে তোমার করুনা অসীম। মানুষ বানিয়েও মানবতা দাওনি কেন অন্তরে, এমন নিঠুর অবনিতে বলো থাকিব কেমন করে। কিছু কাল থাকিতে আসিয়াছিনু সুন্দর এই ধরাতে, কেন কি কারণে ওরা শুধুই চাহে যেন তাড়াতে। কে আপন কে পর কোনটিতার পারিনা বুঝিতে, যে যেভাবেই পায় সেভাবেই চায় শুধুই লুটিতে। নিজতরে আপনার মনে সাঁজে জঙ্গলী জানোয়ার, ঘৃন্ন আচরনে কত তালে চালায় বিধিষ্ট কারবার। বাঘ শিয়াল হায়না সিংহের ন্যায় হিংস্রো থাবায়, ক্ষতবিক্ষত হয়েও বেঁচে আছি তোমারই মহিমায়। কেন কিশের জন্য হেন জগন্য খেলা চলছে ধরায়, দানব সাজিয়া কতকাল কে থাকতে পারছে এথায়। আগের জনে দলে বলে কে-কি আদলে গিয়াছে চলিয়া, আজও তার সবটার প্রমান ইতিহাস রাখিয়াছে তুলিয়া।

খোদার বিধান । এ,জি হাওলাদার,

খোদার বিধান । এ,জি হাওলাদার, দমে দমে লইতে হবে মাবুদ আল্লার নাম, প্রতি পদে মানতে হবে তাহারই ফরমান । ফরমান মানতে হবে না মানিলে কুফর দিলে হইবেরে নাফরমান । নাফরমানের পথটি ছাড় আল্লার হুকুম পালন কর রহিয়াছে বিধান । বিধান রহিয়াছে ফরমাইয়াছে পাঠাইয়া পয়গাম্বর । পয়গাম্বরের জ্ঞান ভারী পাপ পূণ্যের বিচার করি জানাইয়াছেন খবর । মাওলা আমার কাদের গণি রহমতে সোবাহান, সর্ব কর্মে গাইতে হবে রাখিতে প্রমান । তারইতরে চলিবারে আখেরাতে তরীবারে দেখাইয়াছেন নূরেরও নহর । সেই নহরের পথটি ধর সঠিক বেঠিক হিসাব কর,  পাইবে তবে ঈমানি মোহর । যেই মোহরে পার করিবে আখেরে হাসর । আল-মু’মিনু মাওলা আমার নিরাপত্তায় মহান, ক্বহার হইয়া করিবেন পাপিষ্টের দমন । না মানিলে বিধান তার থাকবেনা ঈমান । কুফর দিলে প্রভুতরে হইবেযে বেঈমান । বেঈমানের আখড়া ধর জারিজুরি যতই কর পাইবানারে ত্রান । ত্রান পাইবানারে জারেজারে বলিয়াছেন হাজার । দিলে কহর পরবে হৃদয়ে বেঈমানি মোহড়, পাপিষ্ট আবরণে চোখ হইবে বিভোর । পাপিষ্টের অতিষ্টতা করিতে উসুল, মাসুলে প্রায়চিত্ত সহিবে বংশকুল । সন্তান পাপিষ্ট হবে অস্থির রবে, অধির বধীর তাহারই প্রমান । আরোতরে ফরমাইয়াছে সুরা বাকারাত...

নিয়তির লিখন যায় না খন্ডন । এ,জি হাওলাদার,

নিয়তির লিখন যায় না খন্ডন । এ,জি হাওলাদার, ধরার ক্রান্তি লগ্নে নানান প্রতিকুলতার মধ্যে কিছু মানুষের আবির্ভাব ঘটে । যাদের জন্মের পূর্ব থেকেই আগমনের আলামত প্রতিফলিত হইতে থাকে । লৌকিক থেকে অলৌকিক ঘটনাবলির নিদর্শনে প্রতিয়মান । নানান ঘাত প্রতিঘাতের প্রভাবে লেখা হয়ে থাকে তাদের নিয়তি । প্রতিকুলতার পিষ্টতায় প্রকাশিয়া দৃষ্টতাকে করিয়া কৃষ্ট ভাবেরদাহে দলিয়া কৃচ্ছতায় কৃশোধর করি হেরি উদরিত যাতন, ভয় ডর তুচ্ছ ঝড় ঝঞ্জা কি অগ্নি দাহন । বিধির বিধানে করিয়া যাপন সৃষ্টি তরে রহেন আপন । তিক্ততা তুড় িয়া বাঁধে ভ্রাতিত্ত্বের বাাঁধন হাসিতে মানিয়া কুল্টিত বচন সকাশে প্রকাশে বিধাতার রচন । ঈমানী তাকওয়া মানিয়া যেবা করিবে প্রহসন, ফেসাদের ইন্ধন দেয়, যোগায় রসদ দন্ধের, আস্তিক দিলে নাস্তিক নয় সে কুফরী আদতে দোষর শয়তানের, । শান্তিতে সর্গ গড় ভ্রান্তী ছাড়িয়া ধরাতলে তুষ্ট রহ মানিয়া বিধান, তবেই হবে আখেরে পাবে অমৃতের সন্ধান । কল্পের গল্প নয় সত্যের বাণী, এমনই বিধান কহিয়াছে সূরা আল বাকারাতে, আরোতরে রহিয়াছে তার উদাহরণের বয়ান ।

সৃষ্টির রহস্য

তোমায় পাঠিয়েছে আমার তরে, নয়তোবা আমারে পাঠিয়েছে তোমারে করিতে লালন । যেকুলে জন্মাও তুমি যেথায় যেমনে যখন, ধরার কোলে জানিও আমি তোমার অতিব আপন । ভাবের তাড়নায় নিজের কামনায় বিভোর হইয়া, আমারপরে ঘৃণ্যভরে করো যদি হিন আচরণ । রাখিও অন্তরে আমিও আখেরে, তোমারইতরে হইব তেমনই অন্য ভিন্ন কোন একজন। আবেগ তাড়িত দিমাগে বিগারগ্রস্ত রয় যেজনা, ভাবের তাপ ক্ষিপ্রতায় বিবেক হারা হয় সেজনা । মানব সৃষ্ট কৃত্রিম সংকট, প্রতিহত করেণ বিধাতা প্রকৃতির হালে, প্রমানিয়া তায় প্রকাশিয়া দেয় সাজাইয়া লয় আপন আদলে । পৃথিবীটাকে সুন্দর রেখে উপভোগকরো অনেক কিছু পাবে, তবে কলুশীত করিলে সবটা না হইলেও কিছুটা আসলেই হারাবে । একই সূতায় নির্মিত বসন, কালোয় ঢাকিয়া ঘটায় আঁলোর মরণ । সাদায় কাটিয়া ধাঁধাঁ প্রকাশে সদা, সেই আঁলোরই সরল বিবরণ । আবেগ তাড়ি এ,জি হাওলাদার,
নিয়তির লিখন যায় না খন্ডন । এ,জি হাওলাদার, ধরার ক্রান্তি লগ্নে নানান প্রতিকুলতার মধ্যে কিছু মানুষের আবির্ভাব ঘটে । যাদের জন্মের পূর্ব থেকেই আগমনের আলামত প্রতিফলিত হইতে থাকে । লৌকিক থেকে অলৌকিক ঘটনাবলির নিদর্শনে প্রতিয়মান । নানান ঘাত প্রতিঘাতের প্রভাবে লেখা হয়ে থাকে তাদের নিয়তি । প্রতিকুলতার পিষ্টতায় প্রকাশিয়া দৃষ্টতাকে করিয়া কৃষ্ট ভাবেরদাহে দলিয়া কৃচ্ছতায় কৃশোধর করি হেরি উদরিত যাতন, ভয় ডর তুচ্ছ ঝড় ঝঞ্জা কি অগ্নি দাহন । বিধির বিধানে করিয়া যাপন সৃষ্টি তরে রহেন আপন । তিক্ততা তুড় িয়া বাঁধে ভ্রাতিত্ত্বের বাাঁধন হাসিতে মানিয়া কুল্টিত বচন সকাশে প্রকাশে বিধাতার রচন । ঈমানী তাকওয়া মানিয়া যেবা করিবে প্রহসন, ফেসাদের ইন্ধন দেয়, যোগায় রসদ দন্ধের, আস্তিক দিলে নাস্তিক নয় সে কুফরী আদতে দোষর শয়তানের, । শান্তিতে সর্গ গড় ভ্রান্তী ছাড়িয়া ধরাতলে তুষ্ট রহ মানিয়া বিধান, তবেই হবে আখেরে পাবে অমৃতের সন্ধান । কল্পের গল্প নয় সত্যের বাণী, এমনই বিধান কহিয়াছে সূরা আল বাকারাতে, আরোতরে রহিয়াছে তার উদাহরণের বয়ান । শুধু মন্ত্রেই নয় কুফরী, তন্ত্রেও রহিয়াছে ঢের, যেইটাই করিবে যে তাতেই সে হইবে কাফের । ধর্মের...